ভারতে এবং সারা বিশ্বে বহুসংখ্যক লোক ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত রোগে ভুগছেন, পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় পুরুষদের তুলনায় মহিলারা এই রোগে বেশি আক্রান্ত
হয়ে থাকেন এবং পঞ্চাশোর্ধ লোকেদের মধ্যে এই ভিটামিনের ঘাটতি বেশি লক্ষ্য করা যায় তাই এর হাত থেকে রেহাই পেতে আমাদের জানা দরকার
ভিটামিন ডি কী?
ভিটামিন ডি (Calciferol) শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তেলে দ্রব্য (fat soluble) ভিটামিন যার অভাবে বাচ্চাদের রিকেট ও বড়োদের অস্টিওম্যালেশিয়ার মতো রোগ হয়। রিকেট প্রতিরোধ করে বলে এর আরেক নাম Anti-rachitic factor ।
1) রিকেট (Rickets)
বাচ্চাদের রিকেট রোগ হয় কারণ ভিটামন ডি এর অভাবে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ফসফেট মলের মাধ্যমে নির্গত হয়ে যায় ফলে তাদের হাড়গুলো বেঁকে যায়
3) অস্টিওম্যালেশিয়া (Osteomalacia)
বাচ্চাদের রিকেট রোগের মতো গর্ভাবস্থায় মায়েদেরও ঠিক একই কারণে হাড় বেঁকে যায় ও অনেক সময় ঠিকমতো চলাচলের ক্ষমতাও কমে যায় শরীরে ভর দিয়েও চলতে হয়।
4) অত্যধিক ওজন (Obesity)
দেখা গেছে মোটা চেহারার মানুষদের রক্তে ভিটামিন ডি এর পরিমান তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই কম তাই সঠিক মাত্রায় ভিটামিন ডি নিতে থাকলে ওজন বৃদ্ধির সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
5) পেশীর উপর ক্ষতিকর প্রভাব
(Bad effect on muscle)
এই ভিটামিনের অভাবে পেশির ক্ষয় হয়, পেশিগুলো দুর্বল প্রকৃতির হয় এবং পেশিতে ব্যথা হয় কোনো ভারি জিনিস তুলতে এই সমস্যা বেশি বোঝা যায়।
6) গেঁটে বাত (Arthritis)
এই রোগটিতে রোগীর দুটি হাড়ের সন্ধিস্থল বা জয়েন্টের জায়গাটি ফুলে ওঠে ও তার সাথে প্রচন্ড ব্যথা ও ওই স্থানটি নড়াচড়ায় কষ্ট হয় এটি ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা।
7) ক্ষীণ দৃষ্টি (Nearsightedness or myopia)
এটি চোখের একটি বিশেষ সমস্যা যাতে কাছের বস্তুকে পরিস্কার দেখা যায় কিন্তু দূরের বস্তকে অস্পষ্ট দেখায়, চোখে থাকা পেশি গুলো শিথিল হয়ে গিয়ে এই সমস্যার উদ্ভব ঘটায় ।
8) উচ্চ রক্তচাপ ( High Blood Pressure)
বিভিন্ন স্টাডিতে পাওয়া গেছে যার শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ডি আছে তার রক্তচাপ তুলনামূলক ভাবে বেশ কম থাকে
10) ত্বকের অস্বাভাবিকতা
বিভিন্ন ধরনের ত্বকের রোগ যেমন psoriasis, eczema প্রভৃতিও এই ভিটামিনের ঘাটতির ফল হয়ে থাকে। এতে ত্বক খসখসে ও লালচে হয়ে ফুলে ওঠে এবং ত্বকের স্বাভাবিক smoothness হারিয়ে যায় অনেকক্ষেত্রে ত্বক অসাড় ও কঠিন প্রকৃতিরও হয়ে যায়।
11) চুলের গোড়ায় অর্থাৎ scalp এ অত্যধিক ঘাম হয় যার কারণে চুল ওঠা বেড়ে যায় এই সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে টাক পরার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
12) এসব ছাড়াও ভিটামিন ডি যক্ষ্মা (Tuberculosis) বা asthma প্রভৃতি থেকেও রেহাই দেয় কারণ বুকের বা ফুসফুসের পেশি কমজুরি থাকা যক্ষ্মারোগের মূল কারণ,
রোদ থেকে ভিটামিন ডি কিভাবে নেবেন?

ভিটামিন ডি এর ঘাটতি মেটানোর জন্য
সপ্তাহে কয়েকদিন দশ থেকে পনেরো মিনিট দুপুরের রোদটা নেওয়ার চেষ্টা করুন ( কোনো sunscreen না লাগিয়ে ) আর যাদের গায়ের রং কালো তাদের আরও বেশি সময় রোদ লাগানো উচিত।
দৈনিক চাহিদা ( Daily requirement)
14 — 60 বছর বয়সীদের 600 IU বা 15 mcg এবং 60 বছরের পর এই চাহিদা বেড়ে 800 IU বা 20 mcg ( microgram) হয়ে যায়।
চলুন এবারে দেখে নেওয়া যাক

বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ যেমন ম্যাকারেল, হ্যালিবাট, সার্ডিন, কড, টুনা এগুলিতে প্রচুর পরিমানে এবং পমফ্রেট, কার্প জাতীয় মাছ, ডিম, মাখন, দুধ এতেও এই ভিটামিনটি পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে।
এর উদ্ভিজ্জ উৎস খুব কম থাকলেও বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ তেল (vegetables oil)
যেমন -বাঁধাকপি,পালং শাক, Sunflower oil, Soybean oil, soy milk ইত্যাদিতেও কিছু পরিমাণ থাকে।
ভিটামিন ডি কি?
আমাদের দৈনিক জীবনে এর প্রয়োজনীয়তা কতখানি?
সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি নিতে কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখা দরকার?
খাবারের মাধ্যমে এই ভিটামিনের চাহিদা কিভাবে মেটাবো?
ভিটামিন ডি কী?
ভিটামিন ডি (Calciferol) শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তেলে দ্রব্য (fat soluble) ভিটামিন যার অভাবে বাচ্চাদের রিকেট ও বড়োদের অস্টিওম্যালেশিয়ার মতো রোগ হয়। রিকেট প্রতিরোধ করে বলে এর আরেক নাম Anti-rachitic factor ।
মানবশরীরের জন্য সাধারণত ভিটামিন
ডি2 (Ergocalciferol) এবং ডি3 (Cholecalciferol) বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সূর্যরশ্মির আল্ট্রা ভায়োলেট বি (UVB) তে ভিটামিন ডি বর্তমান থাকে যা
ডি2 (Ergocalciferol) এবং ডি3 (Cholecalciferol) বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সূর্যরশ্মির আল্ট্রা ভায়োলেট বি (UVB) তে ভিটামিন ডি বর্তমান থাকে যা
ত্বকের 7- ডিহাইড্রোকোলেস্টেরল প্রোভিটামিনের মাধ্যমে শরীরে সংশ্লেষিত হয়।
ভিটামিন ডি-র কাজ
ভিটামিন ডি ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস শোষণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
বাড়ন্ত শিশুদের সঠিক বৃদ্ধির জন্য বিশেষ ভাবে প্রয়োজনীয়।
দাঁতের সুগঠনে সাহায্য করে ও দন্তক্ষয় রোধ করে।
আমাদের শরীরে অনাক্রম্যতা (Immunity Power) বাড়িয়ে তুলে বিভিন্ন সংক্রমণের হাত থেকে আমাদের বাঁচায়।
হাড় ও অস্থিসন্ধিকে শক্তিশালী রাখতে ও সঠিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
মাংসপেশিকে সবল করে ও সঠিক পুষ্টির যোগান দেয়।
ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত রোগ
ভিটামিন ডি-র কাজ
ভিটামিন ডি ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস শোষণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
বাড়ন্ত শিশুদের সঠিক বৃদ্ধির জন্য বিশেষ ভাবে প্রয়োজনীয়।
দাঁতের সুগঠনে সাহায্য করে ও দন্তক্ষয় রোধ করে।
আমাদের শরীরে অনাক্রম্যতা (Immunity Power) বাড়িয়ে তুলে বিভিন্ন সংক্রমণের হাত থেকে আমাদের বাঁচায়।
হাড় ও অস্থিসন্ধিকে শক্তিশালী রাখতে ও সঠিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
মাংসপেশিকে সবল করে ও সঠিক পুষ্টির যোগান দেয়।
ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত রোগ
1) রিকেট (Rickets)
বাচ্চাদের রিকেট রোগ হয় কারণ ভিটামন ডি এর অভাবে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ফসফেট মলের মাধ্যমে নির্গত হয়ে যায় ফলে তাদের হাড়গুলো বেঁকে যায়
শরীর শীর্ণ ও জীর্ণ হয়ে যায়, বক্ষপিঞ্জর কদাকার ও ত্রুটিপূর্ণ হয় শক্তিও কমে যায় সবসময় মেজাজ খিটখিটে থাকে, সাধারণত 6 - 18 মাস বয়সের শিশুরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
2) অস্টিওপরোসিস (Osteoporosis)
এই ভিটামিনের অভাবে হাড় নরম প্রকৃতির হয়ে যায় অল্প ব্যথা পেলেই হাড় ভেঙে অর্থাৎ চির ধরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে যাকে অস্টিওপরোসিস বলে।
2) অস্টিওপরোসিস (Osteoporosis)
এই ভিটামিনের অভাবে হাড় নরম প্রকৃতির হয়ে যায় অল্প ব্যথা পেলেই হাড় ভেঙে অর্থাৎ চির ধরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে যাকে অস্টিওপরোসিস বলে।
3) অস্টিওম্যালেশিয়া (Osteomalacia)
বাচ্চাদের রিকেট রোগের মতো গর্ভাবস্থায় মায়েদেরও ঠিক একই কারণে হাড় বেঁকে যায় ও অনেক সময় ঠিকমতো চলাচলের ক্ষমতাও কমে যায় শরীরে ভর দিয়েও চলতে হয়।
4) অত্যধিক ওজন (Obesity)
দেখা গেছে মোটা চেহারার মানুষদের রক্তে ভিটামিন ডি এর পরিমান তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই কম তাই সঠিক মাত্রায় ভিটামিন ডি নিতে থাকলে ওজন বৃদ্ধির সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
5) পেশীর উপর ক্ষতিকর প্রভাব
(Bad effect on muscle)
এই ভিটামিনের অভাবে পেশির ক্ষয় হয়, পেশিগুলো দুর্বল প্রকৃতির হয় এবং পেশিতে ব্যথা হয় কোনো ভারি জিনিস তুলতে এই সমস্যা বেশি বোঝা যায়।
6) গেঁটে বাত (Arthritis)
এই রোগটিতে রোগীর দুটি হাড়ের সন্ধিস্থল বা জয়েন্টের জায়গাটি ফুলে ওঠে ও তার সাথে প্রচন্ড ব্যথা ও ওই স্থানটি নড়াচড়ায় কষ্ট হয় এটি ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা।
7) ক্ষীণ দৃষ্টি (Nearsightedness or myopia)
এটি চোখের একটি বিশেষ সমস্যা যাতে কাছের বস্তুকে পরিস্কার দেখা যায় কিন্তু দূরের বস্তকে অস্পষ্ট দেখায়, চোখে থাকা পেশি গুলো শিথিল হয়ে গিয়ে এই সমস্যার উদ্ভব ঘটায় ।
Vitamin D, Calcium, Iron & B complex enriched breakfast meal
8) উচ্চ রক্তচাপ ( High Blood Pressure)
বিভিন্ন স্টাডিতে পাওয়া গেছে যার শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ডি আছে তার রক্তচাপ তুলনামূলক ভাবে বেশ কম থাকে
এর কারণে তাদের hypertension জনিত সমস্যাও কমই থাকে।
9) ক্যালশিয়ামের অভাব
এই ভিটামিনের অভাবে আমাদের শরীর ক্যালশিয়াম শোষণ করতে অসুবিধা হয়
9) ক্যালশিয়ামের অভাব
এই ভিটামিনের অভাবে আমাদের শরীর ক্যালশিয়াম শোষণ করতে অসুবিধা হয়
ফলে রক্ততঞ্চন প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়।
10) ত্বকের অস্বাভাবিকতা
বিভিন্ন ধরনের ত্বকের রোগ যেমন psoriasis, eczema প্রভৃতিও এই ভিটামিনের ঘাটতির ফল হয়ে থাকে। এতে ত্বক খসখসে ও লালচে হয়ে ফুলে ওঠে এবং ত্বকের স্বাভাবিক smoothness হারিয়ে যায় অনেকক্ষেত্রে ত্বক অসাড় ও কঠিন প্রকৃতিরও হয়ে যায়।
11) চুলের গোড়ায় অর্থাৎ scalp এ অত্যধিক ঘাম হয় যার কারণে চুল ওঠা বেড়ে যায় এই সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে টাক পরার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
12) এসব ছাড়াও ভিটামিন ডি যক্ষ্মা (Tuberculosis) বা asthma প্রভৃতি থেকেও রেহাই দেয় কারণ বুকের বা ফুসফুসের পেশি কমজুরি থাকা যক্ষ্মারোগের মূল কারণ,
একই ভাবে হৃৎপেশীকে সবল করে Heart attack এর হাত থেকেও বাঁচায়, দুশ্চিন্তা বা অবসাদ ( Stress & Depression), টাইপ 2 ডায়াবেটিস প্রভৃতির হাত থেকেও অনেকটা রক্ষা করে।
রোদ থেকে ভিটামিন ডি কিভাবে নেবেন?

কোনো সাপ্লিমেন্টের চেয়ে অনেক বেশি helpful যথেষ্ট পরিমাণে রোদ গায়ে লাগানোর মাধ্যমে প্রাকৃতিক উপায়ে ভিটামিন ডি তৈরি করা।
আমাদের ত্বকে থাকা মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ (pigment) UVB কে আটকায় যার কারণে শরীরে ভিটামিন ডি শোষণ কম হয়, যাদের গায়ের রং কালো প্রকৃতির তাদের শরীরে মেলানিন বেশি থাকে এবং এই কারণে তাদের ফর্সা চামড়ার লোকেদের থেকে ভিটামিন ডি নিতে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় লাগে।
সপ্তাহে কয়েকদিন দশ থেকে পনেরো মিনিট দুপুরের রোদটা নেওয়ার চেষ্টা করুন ( কোনো sunscreen না লাগিয়ে ) আর যাদের গায়ের রং কালো তাদের আরও বেশি সময় রোদ লাগানো উচিত।
দৈনিক চাহিদা ( Daily requirement)
14 — 60 বছর বয়সীদের 600 IU বা 15 mcg এবং 60 বছরের পর এই চাহিদা বেড়ে 800 IU বা 20 mcg ( microgram) হয়ে যায়।
চলুন এবারে দেখে নেওয়া যাক
কোন কোন খাবারে ভিটামিন ডি আছে? ( Food source of vitamin D)

বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ যেমন ম্যাকারেল, হ্যালিবাট, সার্ডিন, কড, টুনা এগুলিতে প্রচুর পরিমানে এবং পমফ্রেট, কার্প জাতীয় মাছ, ডিম, মাখন, দুধ এতেও এই ভিটামিনটি পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে।
এর উদ্ভিজ্জ উৎস খুব কম থাকলেও বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ তেল (vegetables oil)
যেমন -বাঁধাকপি,পালং শাক, Sunflower oil, Soybean oil, soy milk ইত্যাদিতেও কিছু পরিমাণ থাকে।
আরও পড়ুন;

Comments
Post a Comment